ভূকশিমইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাশের হার দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে

ডিসেম্বর ২৬ ২০১৮, ২০:০৫

কুলাউড়া প্রতিনিধি: কুলাউড়ার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয় ভূকশিমইল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ। উপজেলার স্বনামধন্য বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম বিদ্যালয় হিসেবে দাপুটের সহিত অবস্থান ছিল একসময়। সেই স্বর্ণালী দিনগুলি দিন দিন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। দেশে যখন শিক্ষার মান, পাশের হার দিন দিন বাড়ছে,সেখানে ঐ বিদ্যালয়ের এভাবে অবনতি এলাকা তথা শিক্ষা ব্যবস্থায় সূচনীয়-ই বটে। এর কারণ হিসেবে বলতে শুনা যায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অবহেলা। যে আশায় গভর্নিং বডির সদস্যদের এলাকার সহজ সরল অভিভাবকগন নির্বাচিত করেছেন, সেই সদস্যগণ তাদের দায়িত্ব ঠিকঠাক তদারকি না করায় শিক্ষকগণ সুযোগ পেয়ে যা ইচ্ছে তা-ই করেছেন। অন্যদিকে, দেশব্যাপী যখন প্রাইভেট নিষিদ্ধ করা হয়,তখন এই প্রাইভেটকে ভিন্ন নামে (কোচিং) পরিচালনা করা হয়। জানা যায়, ঐ বিদ্যালয়ে প্রায় সারা বছরই সকাল-সন্ধা কোচিং করানো হত। শিক্ষকরা ক্লাসের থেকে কোচিংয়ে সময় বেশি দেওয়ার পরও ফলাফলে এমন অধঃপতন হতাশাজনক। ২০১৭ সনে জেএসসি তে পাশের হার আগের বছরের চেয়ে কমলে ৪টি জিপিএ ৫ থাকলেও এবছর এর থেকেও হ্রাস পেয়ে মাত্র ১টি জিপিএ ৫  আসে,পাশের হারও কমে যায়। শুধু জেএসসি নয়, এসএসসি এবং এইচএসসিতেও পাশের হার ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। এর আরো একটি কারণ হিসেবে শিক্ষকদের অনভিজ্ঞতাকেও দোষারোপ করা যায়। ‘যদি ইতিহাসের শিক্ষক ইংরেজি-গণিত-আইসিটি সহ সকল বিষয়ে পাঠদান করেন, তবে শিক্ষার্থীদের হজমে কিছুটা সমস্যা হওয়ারই কথা’! বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা না থাকলেও অভিজ্ঞার আলোকে পাঠদান করা যায়,কিন্তু ফল ভালো হয় না,তারই প্রমাণ এই বিদ্যালয়। এই সম্পর্কে এলাকার সাধারণ মানুষ কিছু বলতেও পারেন না,তার কারণ স্থানীয় কালো শক্তি। এই অপশক্তির কারণে মৌলিক এ অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকার সচেতন মহল। এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল মনসুর এর সাথে যোগাযোগ  করলে তিনি জানান ‘বছর এর মধ্যখানে পাঠ্যসূচী পরিবর্তনের কারণে এমনটি হয়েছে ।

  •