বড়লেখার কৃতী সন্তান জহুরুল ইসলাম রোহেল জামুকা’র মহাপরিচালক হলেন

মে ৩০ ২০২০, ১৬:১৮

মস্তফা উদ্দিন: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সফরপুর গ্রামের কৃতী সন্তান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. জহুরুল ইসলাম রোহেলকে প্রেষণে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) মহা-পরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

২৭ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ আদেশ জারি করা হয়। গত ৪ মে জামুকা’র মহা-পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন অবসর জনিত ছুটিতে যাওয়ায় এ পদটি শূন্য হয়।

জামুকার নতুন ডিজি মো. জহুরুল ইসলাম রোহেল মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সফরপুর গ্রামের মরহুম ওয়াছিল আলী ও মরহুমা জাহানারা বেগম চৌধুরীর কনিষ্ট ছেলে। দক্ষিণভাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে প্রাথমিকের পাঠ শেষ করে তিনি দক্ষিণভাগ এনসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ে মাধ্যমিকের লেখাপড়া শুরু করেন। বড়ভাই সাবেক পুলিশ অফিসার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মাহবুবুর রব ফারুকের কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া হাইস্কুল থেকে তিনি কৃতিত্বের সাথে ১৯৮১ সালে এসএসসি, ১৯৮৩ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে এইচএসসি, ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনার্স ও ১৯৮৭ সালে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।

১১ তম বিসিএস ক্যাডার মো. জহুরুল ইসলাম রোহেল ১৯৯৩ সালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘ ১৪ বছর মাঠ প্রশাসনে সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, খাদ্য বিভাগ, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি গাইবান্ধ্যায় জেলা প্রশাসক, উপ-সচিব হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের পর যুগ্ম সচিব হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে যোগদান করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর একান্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। গত বছর একই মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে তিনি পদোন্নতি পান।

জামুকা’র নতুন ডিজি মো. জহুরুল ইসলাম রোহেল দীর্ঘ ২৮ বছরের চাকুরী জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি আর্ন্তজাতিক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। কৃতিত্বের সাথে দেশে অনুষ্ঠিত ২৬টি প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে ও উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মান, সুইডেন, অষ্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের ৪৩টি দেশ ভ্রমন করেছেন।

  •