জানতে হবে জন্মনিবন্ধনের গুরুত্বসম্পর্কে

অক্টোবর ২৭ ২০২১, ১১:৫৫

 

চন্দন রবিদাস 

জন্মের পর সরকারি খাতায় প্রথম নাম লেখানোই হলো জন্মনিবন্ধন।নবজাতকের একটি জাতীয়তা নিশ্চিত করতে এটি হচ্ছে প্রথম আইনগত ধাপ। জন্মনিবন্ধন প্রতিটি শিশুসহ বয়স্কদেরও একটি অধিকার। জন্মনিবন্ধন অত্যাবশ্যকীয় করার লক্ষ্যে সরকার নতুন করে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন আইন ২০০৪ প্রণয়ন করে। জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন,সুশাসন প্রতিষ্ঠা,শিশু অধিকার সংরক্ষন নিশ্চিত করতে আইনটি ৩ জুলাই ২০০৬ থেকে কার্যকর করা হয়েছে। জন্মনিবন্ধন বিষয় নিয়ে বাবা মারা এখন অনেকটাই সচেতন। এ বিষয়ে মাতার কাপন গ্রামের সেলি বেগম বলেন, একটি শিশুর জন্মের পরই জন্মনিবন্ধন করা দরকার। তার সঠিক বয়স নির্ণয় করতে,স্কুলে ভর্তি করতে হলে জন্মনিবন্ধনের প্রয়োজন পড়ে। এর কারনে জন্মনিবন্ধন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।এ সময় মাতার কাপন গ্রামের আরেকজন বলেন, আমার শিশুর জন্মের কয়েকদিন পরেই ইউনিয়নে গিয়ে জন্মনিবন্ধনের ফরম এনেছি এবং সেটা ফিলাপ করে ইউনিয়নে জমা দিয়েছি তার কয়েকদিন পরে ইউনিয়ন থেকে জন্মনিবন্ধনের কার্ড পেয়েছি। বয়স্ক এবং শিশু উভয়ের বেলায় জন্মনিবন্ধন এর জন্য মানুষকে উৎসাহিত করতে বিনা ফিতে সারাদেশে সরকার জন্মনিবন্ধনের কাজ করছে। ৮ নং কনকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউর রহমান চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন,সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী বিনা ফিতে শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করা হয়,আর যদি এই ৪৫ দিনের মধ্যে কেউ জন্মনিবন্ধন না করে সরকারি নীতি অনুযায়ী তাদের উপর একটা জরিমানা করা হয়ে থাকে। যারা জন্মনিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন তারা আবেদনের ১৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন কার্ড পেয়ে যান। জন্মনিবন্ধনের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা বিভিন্নভাবে মানুষকে উৎসাহিত করি এবং সাথে সাথে কোনো ব্যাক্তি মারা যাওয়ার পর মৃত্যু নিবন্ধন করা উচিত।জন্মনিবন্ধন আইনে বলা হয়েছে, বয়স,জাতি-গোষ্ঠী,ধর্ম কিংবা জাতীয়তা সকল নির্বিশেষে বাংলাদেশে জন্মগ্রহনকারী প্রত্যেকটি মানুষের জন্য জন্মনিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।

  •