কুলাউড়ায় বাড়ীর রাস্তায় পাকা দেয়াল নির্মান করায় অবরুদ্ধ ৪টি পরিবার ।

সেপ্টেম্বর ০৮ ২০১৮, ১৫:৪৪

ষ্টাফ রিপোর্টার : কুলাউড়ায় বাড়ীর যৌথ রাস্তায় পাকা দেয়াল নির্মান করায় প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে আছে ৪টি পরিবার। পাকা দেয়াল নির্মান উদ্যোগের শুরুতেই ভূক্তভোগী পরিবারটি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেও প্রতিপক্ষের পাকা দেয়াল নির্মানকাজ বন্ধ করাতে পারেনি। ফলে, প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে আছে ভূক্তভোগী পরিবারটি।
o

জানা গেছে- মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নস্থিত ঘাগটিয়া গ্রামে ময়নুল আজাদ খানের পরিবার (পাকিস্তানি বাড়ী)মোহা আব্দুর রউফ চৌ: ও ওনার দুই ভাইসহ মোট ৪টি পরিবার পাশাপাশি বাড়ীর বাসিন্দা। বসতিস্থাপন লগ্ন থেকেই ৪টি পরিবার স্ব স্ব অবস্থানে বসবাস ও ৬ হাত প্রস্থবিশিষ্ট যৌথ রাস্তায় চলাচল করে আসছে। রাস্তাটির অর্ধেক অংশের ভূমি ময়নুল আজাদ খানের এবং অর্ধেক অংশের ভূমি মোহা আব্দুর রউফ চৌ ও ওনার দুই ভাই এর মালিকানাধীন। গত মধ্য জুলাইয়ে হঠাৎকরে ময়নুল আজাদ খান শত বছরের পুরনো উক্ত রাস্তায় লম্বালম্বি মধ্যস্থলে পাকা দেয়াল নির্মানকাজ শুরু করেন। মোহা আব্দুর রউফ চৌ গংরা আপত্তি জানালেও, ময়নুল আজাদ খান তা অগ্রাহ্য করে জোরপূর্বক নির্মানকাজ অব্যাহত রাখে। নিরুপায় হয়ে মোহা আব্দুর রউফ চৌ: উক্ত পাকা দেয়াল নির্মানকাজ বন্ধ করার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেন। কিন্তু, তা সত্তেও ময়নুল আজাদ খান জোরপূর্বক পাকা দেয়াল নির্মানকাজ অব্যাহত রাখে। একপর্যায়ে, ‘ইমার্জেন্সী গেইট’ পরিমান স্থান উন্মুক্ত রেখে পাকা দেয়াল নির্মানকাজ সম্পন্ন করা হয়। ফলে, প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে আছে ভূক্তভোগী পরিবারটি। এমতাবস্থায়,মোহা আব্দুর রউফ চৌ গংরা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে জয়চন্ডি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কমরুদ্দিন কমরুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করেছি, কোন পক্ষ না মানলে আমাদের কিছু করার থাকেনা ।

i

  •