• ১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৬ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১০ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

পরকীয়া করতে গিয়ে কথিত সাংবাদিক আটক, বিয়ের প্রতিশ্রুতির মুচলেকা দেয়ায় মুক্তি

admin
প্রকাশিত মার্চ ২৮, ২০২০
পরকীয়া করতে গিয়ে কথিত সাংবাদিক আটক, বিয়ের প্রতিশ্রুতির মুচলেকা দেয়ায় মুক্তি

জুড়ী প্রতিনিধি : জুড়ীতে ১ সন্তানের জননীর সাথে পরকিয়া করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হন কথিত সাংবাদিক জালালুর রহমান। অবশেষে ওই নারীকে বিয়ে করার প্রতিশ্র“তির মুচলেকা দিয়ে তিনি মুক্তি পান। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়ডহর গ্রামে নাজমা আক্তারের বাবার বাড়িতে।

এলাকাবাসী জানান, সাংবাদিকতার নাম ভাঙ্গিয়ে জালালুর রহমান বিরহী বেশে ঘুরাঘুরি করেন। প্রেস লেখা ড্রেস পরিধান করে, সাংবাদিক লেখা মোটর সাইকেল নিয়ে সারাদিন ঘুরাঘুরিই যেন তার কাজ। অবশেষে সেই লোগোধারী কথিত সাংবাদিক অনৈতিক কাজে গিয়ে জনতার হাতে আটক হলেন। পরে এক সন্তানের জননী ওই নারীকে বিয়ে করার শর্তে স্ট্যাম্পে লিখিত মুচলেকা দিয়ে জনতার হাত থেকে মুক্তি পান। তিনি নিজেকে দৈনিক খবরপত্রের সাংবাদিক বলে দাবী করেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বিগত অনেকদিন থেকে জুড়ীর সাগরনাল ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়ডহর গ্রামের এক সন্তানের জননী নাজমা আক্তারের সাথে পরকীয়া করে আসছিলেন পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের হরিরামপুর গ্রামের খলিলুর রহমান (ভূট্রো খলিল) এর ছেলে জালালুর রহমান। স্বামীর সাথে পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে ওই মহিলা তার পিত্রালয়ে থাকত। এমনকি স্বামীর সাথে তার মামলাও বিচারাধীন। এরই সুবাধে রাতের আধারে ওই মহিলার বাড়িতে সে প্রায়ই যাতায়াত করতো। এলাকাবাসী বাধা দিলেও সে উল্টো সাংবাদিক পরিচয়ে তাদেরকে হুমকি-ধামকি দিত। বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে সে ওই মহিলার বাড়িতে গিয়ে অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসী তাকে হাতে-নাতে ধরে আটক করেন। পরবর্তীতে তারা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ জানায় তাকে ওই নারীর সাথে বিয়ে করিয়ে দিতে। মহিলার স্বামীর সাথে মামলা বিচারাধীন থাকায় উপস্থিত লোকজন মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর বিয়ে করার শর্তে স্ট্যাম্পে লিখিত মুচলেকা আদায় করে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

জালালুর রহমানের বিরুদ্ধে এ রকম অনেক অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। টিল্লাকাটার হুমকি দিয়ে টাকা আদায়, সাংবাদিক পরিচয়ে চাদাবাজি সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সে অনেকদিন থেকে খবরপত্র পত্রিকার জুড়ী প্রতিনিধি আবার কখনও প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদ পরিচয়ে এসব অপকর্ম করে আসছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জালালুর রহমানের মুঠোফোনে বারবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি ।