• ২৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ , ১৯শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

বড়লেখায় ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত এলাকায় খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছেন ইউএনও ও পিআইও

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ২৯, ২০২০
বড়লেখায় ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত এলাকায় খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছেন ইউএনও ও পিআইও
মস্তফা উদ্দিন: করোনা ভাইরাসে যখন জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। তখনই সংকট মোকাবেলায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, নিজেদের সুরক্ষার কথা চিন্তা না করে দেশের মানুষের সুরক্ষায় ও সমাজের হতদরিদ্র গরীব দুখী মানুষের পাশে দাড়িয়েছে বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়।
বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপির উত্তর কাশেমনগর গ্রামে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবার ও গ্রামে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান।
মঙ্গলবার বিকেলে তারা লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া আক্রান্তের পরিবারসহ গ্রামের দরিদ্র ২১ পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। গত শনিবার কাশেমনগর গ্রামের এক যুবকের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ায় উপজেলা প্রশাসন গভীর রাতে গ্রামটি লকডাউন করে। রোববার আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আশা ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কাশেমনগর গ্রামটি অত্যন্ত দরিদ্রপীড়িত গ্রাম। লকডাউনের কারণে আক্রান্ত যুবকের পরিবারসহ গ্রামের ২১ পরিবারের সদস্যরা কর্মহীন হয়ে পড়ে। তাদের পরিবারে দেখা দেয় চরম খাদ্যসংকট।
মঙ্গলবার বিকেলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান , উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার সাখাওয়াৎ হোসেন ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো.সাইফুল ইসলাম খাদ্যসংকটে থাকা এসব পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, আলু, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামীম আল ইমরান জানান, লকডাউনের কারণে গ্রামের লোকজন ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। আক্রান্ত ব্যক্তিসহ গ্রামের অন্যান্য পরিবারের লোকজন কর্মহীন হয়ে পড়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্যসংকট। তাদের দুরাবস্থা দেখে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি মোট ২১ পরিবারের মধ্যে ১৫ দিনের খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেছেন।