• ১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৬ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১০ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

ত্রানের চাল ওজনে কম দেওয়ার ঘটনায় ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান সহ ২ জনকে শোকজ

admin
প্রকাশিত মে ১২, ২০২০
ত্রানের চাল ওজনে কম দেওয়ার ঘটনায় ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান সহ ২ জনকে শোকজ

রাজনগর প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে গত ২৪ এপ্রিল ত্রানের চাল ওজনে কম দেবার ঘটনায় ৩ কার্য দিবসের মধ্যে জবাব চেয়ে ২ জনকে শোকজ করেছেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক।
জানা যায়, এ সংক্রান্ত একটি পত্র মঙ্গলবার (১২ মে) উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজনগরের কাছে এসে পৌছেছে। ২ জনের মধ্যে ইউপি চেয়ারম্যান নকুল চন্দ্র দাশ সহ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার রয়েছেন বলে রাজনগরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা পাল জানিয়েছেন।
উল্যেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল ফতেপুর ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সরকারের দেয়া ত্রানের চাল ওজনে কম দেয়া হলে এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং কিছু ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে স্থানীয় সংবাদ কর্মী আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম রাজ এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ দেন। লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। এবং গত ৯ মে অভিযোগের আংশিক সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে ১৮ পৃষ্টার একটি প্রতিবেদন এবং একটি ভিডিও সিডি সহ জেলা প্রশাসকের বরাবরে প্রেরন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
১১ মে গণমাধ্যম কর্মীরা জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজারের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন জানান, পুনঃ তদন্তের জন্য ফাইলটি ১২ মে রাজনগরের ইউএনও’র কাছে পাঠানো হবে।
আইনানুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী অনাস্থা বা নারাজী প্রদান করলেই কেবল পুনঃতদন্তের প্রয়োজন হয়। অভিযোগকারী যেহেতু তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে অনাস্থা বা নারাজী প্রদান করেননি সেহেতু পুণঃতদন্ত করা হবে কেন ? এ প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, অভিযোগকারী অনাস্থা বা নারাজী প্রদান না করলেও এটা পুণঃতদন্ত করা হবে।
পরে বিষয়টি সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে অবগত করা হলে মঙ্গলবার (১২ মে) ২ জনকে শোকজ করে একটি পত্র উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে যায়।
এ খবর পেয়ে সাংবাদিকরা মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কাছে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী সংবাদকর্মী আব্দুল হাকিম রাজ জানান, তদন্ত প্রতিবেদনে যা এসেছে তাতে আমি সন্তুষ্ট আছি বলেই পুনঃ তদন্ত চাইনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল ত্রান নিয়ে কোথাও অনিয়ম হলে সরকার তা সহ্য করবেনা।আর সে মোতাবেক ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা সত্বেও ত্রান বিতরনে অনিয়মের বিষয়টি আমি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেছি।