• ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

মৌলভীবাজারে এ.বি কমিউনিটি সেন্টারেট উদ্যোগে ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
মৌলভীবাজারে এ.বি কমিউনিটি সেন্টারেট উদ্যোগে ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

মো.রুহুল আলম রনি, মৌলভীবাজার: প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় ১১০ জন অসচ্ছল পরিবারের মাঝে ইফতার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে এ.বি কমিউনিটি সেন্টার।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বৃন্দাবনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চাল, সয়াবিন তেল, আলু, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

পবিত্র মাহে রমজানুল মোবারকের তাৎপর্যকে সামনে রেখে রোজাদারদের সঙ্গে ইফতার ও সেহরির আনন্দ ভাগাভাগি করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

এ কর্মসূচিতে অর্থায়ন ও সহযোগিতা করেন এ.বি কমিউনিটি সেন্টারের স্বত্বাধিকারী প্রবাসী শেখ মো: আলী আনকার, ফারজানা আহমেদ সানিয়া, ফারহানা আহমেদ সাখী ও মাসুম আহমেদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আবিদ আহমেদ, জিসান আহমেদ, শাহজাদা আহমেদ, জামসেদ মিয়া, মনজুর আহমেদ, রিপন মিয়া, হেলাল আহমেদ ও রাহিম আহমেদসহ আরও অনেকে।

উপহার সামগ্রী পেয়ে নীলা বেগম (ছদ্ম নাম) বলেন,
“সংসারে টানাপোড়েনের মধ্যে এমন সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। রমজানে পরিবারের জন্য কিছু খাবার জোগাড় হবে—এটাই সবচেয়ে স্বস্তির।”

রহিম মিয়া (ছদ্ম নাম) বলেন, “এই সময়ে নিত্যপণ্যের দাম বেশি থাকে। আজ যে সাহায্য পেলাম, এতে কয়েকদিনের ইফতার অন্তত নিশ্চিন্তে করতে পারব।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, “রমজান মানেই শুধু ইবাদত নয়—মানুষের পাশে দাঁড়ানোরও শিক্ষা দেয়। সমাজের বিত্তবানদের উচিত অসচ্ছল মানুষের পাশে এগিয়ে আসা। এ.বি কমিউনিটি সেন্টারের এই মানবিক উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয়।”

তারা আরও বলেন, ভবিষ্যতেও এমন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।

মো. আবিদ আহমেদ বলেন, “রমজান আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার মাস। এই মাসে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবচেয়ে বড় ইবাদতের অংশ। এ.বি কমিউনিটি সেন্টারের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।”

জিসান আহমেদ বলেন, “তরুণ সমাজ যদি এভাবে সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে মানবসেবামূলক কার্যক্রম গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”