শ্রীমঙ্গলে ৭ মন্দিরের চুরির মালামাল পুকুর থেকে উদ্বার: আটক- ৩

শফিকুল ইসলাম রুম্মন: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক রাতে ৭টি মন্দির ও দোকান চুরির ঘটনার ১৩দিন পর ওই গ্রামের পুকুর থেকে বেশ কিছু পূজার সামগ্রী ও ৩টি মূর্তি উদ্বার করেছে পুলিশ। এর আগে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৩জনকে আটক করে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ।
আটককৃতদের একজনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শনিবার বিকেলে এ মালামাল উদ্বার করা হয়। এর আগে থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ভূনবীর শাসন গ্রামের মৃত ধীরেন্দ্র দেবের ছেলে শংকর দেব, একই এলাকার মৃত সফিক মিয়ার ছেলে নোমান মিয়া (২৩) ও ভিমসী গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে কুদ্দুছ মিয়া (৩৫) কে আটক করে। শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুছ ছালেক বলেন, কুদ্দুছ মিয়ার তথ্য মতে তারা এ মালামাল উদ্বার করেছেন।
ভিমসী গ্রামের মদনমোহন আখড়ার সভাপতি দীনেশ লাল রায় জানান গত ১১ নভেম্বর এক রাতে, ভিমসী শিববাড়িতে ও প্রতিমা শিল্পী উত্তম মিশ্রের বাড়ির মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর করা হয় এবং চুরি হয় ত্যজশপত্র। এছাড়াও হর-গৌরী আখড়া, মদনমোহন আখড়া, পাল পাড়ার সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, ভিমসী মন্দির, মহাদেব মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে।
‘আটককৃতের তথ্যানুযায়ী অভিযান চালিয়ে ভিমসী গ্রামের পুকুর থেকে বস্তাবন্দি কাসা পিতলের বেশ কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক আসামীদের ধরার চেষ্টা চলছে। এ নিয়ে শনিবার রাতে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ সার্কেল এর সিনিয়র এ এসপি আশরাফুজ্জামান সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান।
এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অর্ধেন্দু কুমার দেব জানান, মন্দিরে চুরি ও ভাংচুরের ঘটানায় উদ্যোগী ভুমিকা নিয়েছেন পুলিশ প্রশাসন। ইতিমধ্যে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব জানান, চুরি ও ক্ষতিগস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোকে উপজেলা পরিষদের ফান্ড থেকে ৭টি মন্দির ও দোকানের মালিককে ১০ হাজার করে নগদ ৮০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.